ব্রেকিং:
মাওলানা ত্বহার হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইভার অন; বন্ধ মোবাইল ফোন কে এই মাওলানা ত্বহার ২য় স্ত্রী সাবিকুন নাহার? আওয়ামীলীগের ধর্মীয় উন্নয়নকে ব্যাহত করতে ত্বহা ষড়যন্ত্র স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে প্রতারণা ফেনীতে করোনার নমুনা সংগ্রহ করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা ফেনীর বিভিন্নস্থানে মোবাইল কোটের অভিযান : ১৪ জনের দন্ড ফেনীতে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌছে দিয়েছে ছাত্রলীগ করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের ফেনীর ৭ সরকারি কলেজের একদিনের বেতন ত্রাণ তহবিলে ফেনী ধলিয়ায় গ্রাম পুলিশের বাড়িতে হামলা, আহত ২ মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? ফেনীতে বাড়তি দামে পণ্য বেচায় ৭ দোকানের জরিমানা দেশে করোনায় আক্রান্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার, একদিনে মৃত্যু ৫ যুক্তরাষ্ট্রে করোনা জয় করলেন ১ লাখেরও বেশি মানুষ ফেনীতে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফেনী শহরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান ফেনীতে ডাক্তারদের সুরক্ষা ও রোগীদের চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে বিএমএ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ছাড়ালো
  • বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ৫ ১৪৩১

  • || ০৮ শাওয়াল ১৪৪৫

বিকাশ এ্যাকাউন্টে বেতন পাবেন গার্মেন্টস কর্মীরা

ফেনীর হালচাল

প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল ২০২০  

আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা থেকে মোবাইল ফোনের বিকাশ এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বেতন পাবেন পোশাকখাতের শ্রমিকরা। এভাবে চলতি এপ্রিল থেকে আগামী জুন মাস পর্যন্ত তিন মাসের বেতন প্রদান করা হবে। কিন্তু গত মার্চ মাসের বেতন এখনও পরিশোধ করতে পারেনি পোশাকখাতের মালিকরা। চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শ্রমিকদের মার্চের বেতন ২০ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিশোধ করার জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মালিকরা গত মাসের বেতন প্রদান নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে টালবাহানা শুরু করেছে। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রাস্তায় নেমেছে পোশাক শ্রমিকরা। করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শ্রমিকরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

জানা গেছে, নামমাত্র সুদে সরকারী প্রণোদনা থেকে ঋণ পেতে মরিয়া হয়ে উঠছেন গার্মেন্টস মালিকরা। আর এ কারণে হাতে পর্যাপ্ত টাকা থাকার পরও মার্চ মাসের বেতন পরিশোধে তাদের অনীহা দেখা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনমতে, ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন প্রদানের বিষয়টি ঝুঁলিয়ে রাখা গেলে সরকারী প্রণোদনার টাকা থেকে বেতন পরিশোধ শুরু হবে। আর তখন বেতন-ভাতা নিয়ে মালিকদের ভাবতে হবে না। সম্প্রতি পোশাকখাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেছিলেন, যত কষ্ট হোক মালিকরা মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ করবেন। এ বিষয়ে মালিকদের কোন কার্র্পণ্য নেই। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে পোশাকখাতের জন্য বড় ধরনের প্রণোদনা ঘোষণার পর তিনি ওই সময় বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। কিন্তু ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ নিয়ে মালিকরা গড়িমসি শুরু করেছে। শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেও বিজিএমইএ থেকে বেতন প্রদানের বিষয়ে কোন কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করা হয়নি।

এদিকে, করোনাভাইরাসের কারণে সরকারী ছুটির সঙ্গে মিল রেখে পোশাক কারখানা আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বিজিএমএই। যদিও জরুরী উৎপাদনে এখনও প্রায় শতাধিক কারখানায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পোশাক শ্রমিকরা কাজ করছেন। উৎপাদন করা হচ্ছে মেডিক্যাল পোশাক সামগ্রী পিপিই, মাস্কসহ বিভিন্ন পণ্য। এছাড়া ইউরোপ-আমেরিকারর অর্ডার সঠিক সময়ে শিপমেন্ট করতে অনেক গার্মেন্টস খোলা রাখা হয়েছে। শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মালিকদের লোকসান এড়াতে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু উদ্যোক্তারা বেতনভাতা নিয়ে টালবাহানা শুরু করেছে। এ বিষয়ে গার্মেন্টস শ্রমিক নেতারা দ্রুত শ্রমিকদের মার্চ মাসের বেতনভাতা পরিশোধ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

গার্মেন্টস শ্রমিক নেতা মোঃ সিরাজুল ইসলাম রনি বলেন, করোনাভাইরাস থেকে রক্ষায় শ্রমিকদের বিভিন্ন সামগ্রী কিনতে হচ্ছে। তাদের জীবন-যাপন ব্যয় বেড়ে গেছে। হাতে টাকা পয়সা নেই, কিন্তু তারা এখনও মার্চ মাসের বেতন পায়নি। এ অবস্থায় দ্রুত তাদের বেতনভাতা পরিশোধ না করা হলে অনেক শ্রমিক না খেয়েও মরতে পারেন।

মার্চ মাসের বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ॥ গত মার্চ মাসের বেতন ভাতার জন্য বুধবার শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোপ প্রদর্শন করেছে। সকাল থেকে রাজধানীর আশুলিয়া, উত্তরা, বাড্ডা, ভাটারা, মিরপুর, ভাসানটেক, শাহআলী, তেজগাঁও, মতিঝিল এলাকায় শতশত শ্রমিক বেতনের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে। দেড় দুই-ঘণ্টা অবস্থানের পর সংশ্লিষ্ট কারখানার মালিকদের আশ্বাসের ভিত্তিতে শ্রমিকদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরানো হয় বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এদিকে, মহামারী ছড়ানো ঠেকাতে সরকার ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুিট ঘোষণা করে মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বেশিরভাগ তৈরি পোশাকের কারখানাও এখন বন্ধ রয়েছে।

তবে সরকার এরই মধ্যে কারখানার শ্রমিকদের বেতনের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে মালিকদের। ঢাকার আশুলিয়ায় এসএমএস গার্মেন্টসের সামনের সড়কে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে। এছাড়া তবে মালিকপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ায় মিরপুর ১০ নম্বরে শাকিব গার্মেন্টস শতাধিককর্মী সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। কচুক্ষেত এলাকার চিটাগাং গার্মেন্টসের শ্রমিকরাও রাস্তায় নেমে প্রায় দেড় ঘণ্টা বিক্ষোভ করে বলে জানা গেছে।

এছাড়া কাওরান বাজারের কাঠপট্টিতে ডিজাইন এ্যান্ড সোর্স নামের গার্মেন্টস শ্রমিকরা সকালে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে। তবে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

মতিঝিল এলাকার দক্ষিণ কমলাপুরে বিন্নি গার্মেন্টস এবং সরদার নিট এ্যান্ড ওয়্যার নামে অপর একটি গার্মেন্টসের দুই শতাধিক শ্রমিক কমলাপুর এলাকার সড়কে অবস্থান নেয়।

বেতন নিতে আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে বিকাশ নম্বর চালু করতে হবে ॥ সরকারের আর্থিক প্রণোদনা তহবিল থেকে বেতন-ভাতা দিতে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের কোন চার্জ ছাড়া ২০ এপ্রিলের মধ্যে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাব খুলে দিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক সার্কুলার জারির মাধ্যমে দেশের সব মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে এ নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নতুন ৬ লাখ এ্যাকাউন্ট খুলেছে পোশাক শ্রমিকরা ॥ প্রণোদনা তহবিল থেকে বেতন-ভাতার জন্য গত এক সপ্তাহে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৬ লাখ ৫ হাজার নতুন এ্যাকাউন্ট খুলেছেন পোশাক শ্রমিকরা। বিজিএমইএ জানায় শ্রমিকরা নিজ নিজ মোবাইল ব্যাংকিং এ্যাকাউন্টেই বেতন-ভাতা পাবেন। গত এক সপ্তাহে ৬ লাখের বেশি হিসাব খোলা হয়েছে। যাদের এখনও হিসাব খোলা হয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া নির্দিষ্ট সময়েই বাকি কারখানা শ্রমিকের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খোলার কাজ শেষ হবে।

ফেনীর হালচাল
ফেনীর হালচাল