ব্রেকিং:
মাওলানা ত্বহার হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইভার অন; বন্ধ মোবাইল ফোন কে এই মাওলানা ত্বহার ২য় স্ত্রী সাবিকুন নাহার? আওয়ামীলীগের ধর্মীয় উন্নয়নকে ব্যাহত করতে ত্বহা ষড়যন্ত্র স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে প্রতারণা ফেনীতে করোনার নমুনা সংগ্রহ করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা ফেনীর বিভিন্নস্থানে মোবাইল কোটের অভিযান : ১৪ জনের দন্ড ফেনীতে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌছে দিয়েছে ছাত্রলীগ করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের ফেনীর ৭ সরকারি কলেজের একদিনের বেতন ত্রাণ তহবিলে ফেনী ধলিয়ায় গ্রাম পুলিশের বাড়িতে হামলা, আহত ২ মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? ফেনীতে বাড়তি দামে পণ্য বেচায় ৭ দোকানের জরিমানা দেশে করোনায় আক্রান্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার, একদিনে মৃত্যু ৫ যুক্তরাষ্ট্রে করোনা জয় করলেন ১ লাখেরও বেশি মানুষ ফেনীতে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফেনী শহরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান ফেনীতে ডাক্তারদের সুরক্ষা ও রোগীদের চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে বিএমএ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ছাড়ালো
  • রোববার ২৬ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪৩১

  • || ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪৫

কোরআন হাদিসের আলোকে নামাজ আদায়কারীদের স্তর

ফেনীর হালচাল

প্রকাশিত: ২১ মার্চ ২০২০  

নামাজ (ফার্সি: نَماز‎‎) বা সালাত হলো ইসলাম ধর্মের প্রধান উপাসনাকর্ম। প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত (নির্দিষ্ট নামাজের নির্দিষ্ট সময়) নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক বা ফরজ।

নামাজ ইসলাম ধর্মের পঞ্চস্তম্ভের একটি। ঈমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।

একজন মানুষকে মুসলিম হতে হলে তার প্রধান কাজ হলো এই সাক্ষ্য দেয়া,

আরবি উচ্চারণ :

اشْهَدُ انْ لّآ اِلهَ اِلَّا اللّهُ وَحْدَه لَا شَرِيْكَ لَه، وَ اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدً اعَبْدُه وَرَسُولُه

বাংলা উচ্চারণ :

‘আশ্‌হাদু আল-লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু-লা-শারীকালাহু ওয়া আশ্‌হাদু আন্না মুহাম্মাদান আ'বদুহু ওয়া রাসূলুহু’।

অনুবাদ :

‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো উপাস্য নাই। তিনি এক, অদ্বিতীয় এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁহার বান্দা ও প্রেরিত রাসূল।’

একজন ব্যক্তির  এই সাক্ষ্য তখনই যথাযথ হবে, যখন তার মধ্যে অন্যান্য ইবাদতগুলো ইখলাসের সঙ্গে পাওয়া যাবে। আর সব ইবাদতের মূল হলো ‘সালাত’ কায়েম করা। সালাত কায়েম করার উপকারিতা সম্পর্কে মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা বলেন,

إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاء وَالْمُنكَرِ

‘নিশ্চয় সালাত অশ্লীন ও গর্হিত কাজ হতে বিরত রাখে।’ (সূরা : আনকাবুত, আয়াত :৪৫)।

উপযুক্ত আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় সালাত আদায়কারীর দ্বারা কখনো খারাপ কাজ হতে পারে না। কিন্তু বর্তমান সমাজে এমন একটি অবস্থা বিরাজ করছে যেখানে অন্যায়-অত্যাচারসহ যাবতীয় অশ্লীন ও খারাপ কাজে সালাত আদায়কারী ও সালাত না আদায়কারী সবারই ভূমিকা প্রায় সমান। অথচ সালাতের উদ্দেশ্য হলো এর মাধ্যমে মানুষ যাবতীয় নাফরমানী তথা পাপের কাজ থেকে বিরত থাকবে।

তাই সালাত মানুষকে উপকার দিচ্ছে না কেন? সালাত মানুষকে উপকার না দেয়ার কারণ হিসেবে দায়ী কে? সালাত না সালাত আদায়কারী! (প্রথম পর্বের অংশবিশেষ)

২য় পর্ব...

পঞ্চম প্রকারের সালাত আদায়কারী: 

এরা হলো চতুর্থ প্রকার সালাত আদায়কারীর মতই। কিন্তু সে তার অন্তরকে আল্লাহর সামনে এমন ভাবে উপস্থাপন করে, যেন সে তার অন্তর দিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে দেখছে এবং আল্লাহ তায়ালাও যেন তার পরিদর্শক।

এ প্রকারের সালাত আদায়কারী আল্লাহকে এমন পূর্ণাঙ্গরুপে ভালোবাসেন ও শ্রদ্ধা করেন যেন সে আল্লাহকে স্বচক্ষে দেখেছেন। আর এমন অবস্থায় সালাত আদায়কারী থেকে সমস্ত কুমন্ত্রনা অদৃশ্য হয়ে যায় এবং তার মাঝে ও আল্লাহর মাঝে যে পর্দা রয়েছে তা উঠে যায়। সালাতের মধ্যে আল্লাহ এবং তাঁর বান্দার এধরনের সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়া আসমান এবং জমিনের মধ্যে যা রয়েছে তার চেয়ে মহান এবং শ্রেষ্ঠ। আর এ প্রকারের সালাত আদায়কারী সালাতের মধ্যে তার রবের সঙ্গে ব্যস্ত থাকে এবং এর মাধ্যমে তার চক্ষুপ্রশান্তি লাভ করে তথা অন্তর প্রশান্তি লাভ করে।

পঞ্চম প্রকার সালাত আদায়কারীর জন্য যে সওয়াব রয়েছে: 

এ প্রকার সালাত আদায়কারীর জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সওয়াব। এই ধরনের সালাত আদায়কারী দুনিয়াতে ও আখিরাতে কল্যাণ অর্জন করার সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি বিষয় তারা অর্জন করতে সক্ষম হয় তা হলো তাদের রবের নিকট তারা নৈকট্য প্রাপ্ত যাকে বলা হয়।

দুনিয়াতে সালাত আদায় করার মাধ্যমে যে অন্তর প্রশান্তি লাভ করে তার অনেক দলিল রয়েছে। যেমন রাসূল (সা.) এর এক শীর্ষস্থানীয় সাহাবি খুবাইব (রা.)-কে যখন মক্কার কাফেরেরা হত্যা করার জন্য প্রস্তুতি নেয়, তখন খুবাইব (রা.) তাদেরকে বলেছিলেন,

‘তোমরা আমাকে ছেড়ে দাও আমি দুই রাকাত সালাত পড়ব। যখন তার সালাত পড়া শেষ হলো তাদের দিকে ফিরে তিনি বললেন, তোমরা যদি এই ধারনা না করতে আমি মৃত্যুর ভয়ে সালাত পড়ছি তাহলে আরো বেশি সময় সালাতে মশগুল থাকতাম। (বুখারী)।

এই হাদিস থেকে প্রতিয়মান হয় খুবাইব (রা.) সালাতের মধ্যে অন্তরের প্রশান্তি লাভ করেছিলেন। যার ফলে তিনি বলেছিলেন, আমি সালাত আরো বেশি দীর্ঘ করতাম যদি তোমরা আমার ওপর এই ধারনা না করতে যে, আমি মৃত্যুর ভয়ে সালাত দীর্ঘ করছি।

উপসংহার: আসুন আমরা সবাই দলাদলী বাদ দিয়ে রাসূল (সা.) এর সহিহ হাদিস অনুপাতে সালাত আদায় করি এবং রাসূল (সা.) ও খুবাইব (রা.) এর মনমানসিকতা তৈরি করে সালাত কায়েম করি তাহলেই সালাত আমাদেরকে উপকার দেবে। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاء وَالْمُنكَرِ

‘নিশ্চয় সালাত অশ্লীন  ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে।’ (সূরা: আনকাবুত, আয়াত: ৪৫)।

ফেনীর হালচাল
ফেনীর হালচাল