ব্রেকিং:
মাওলানা ত্বহার হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইভার অন; বন্ধ মোবাইল ফোন কে এই মাওলানা ত্বহার ২য় স্ত্রী সাবিকুন নাহার? আওয়ামীলীগের ধর্মীয় উন্নয়নকে ব্যাহত করতে ত্বহা ষড়যন্ত্র স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে প্রতারণা ফেনীতে করোনার নমুনা সংগ্রহ করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা ফেনীর বিভিন্নস্থানে মোবাইল কোটের অভিযান : ১৪ জনের দন্ড ফেনীতে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌছে দিয়েছে ছাত্রলীগ করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের ফেনীর ৭ সরকারি কলেজের একদিনের বেতন ত্রাণ তহবিলে ফেনী ধলিয়ায় গ্রাম পুলিশের বাড়িতে হামলা, আহত ২ মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? ফেনীতে বাড়তি দামে পণ্য বেচায় ৭ দোকানের জরিমানা দেশে করোনায় আক্রান্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার, একদিনে মৃত্যু ৫ যুক্তরাষ্ট্রে করোনা জয় করলেন ১ লাখেরও বেশি মানুষ ফেনীতে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফেনী শহরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান ফেনীতে ডাক্তারদের সুরক্ষা ও রোগীদের চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে বিএমএ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ছাড়ালো
  • রোববার ২৬ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪৩১

  • || ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪৫

বারো হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ১৯ বাস!

ফেনীর হালচাল

প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) প্রায় ১২ হাজার ছাত্র-ছাত্রী পড়ছেন। দিনাজপুরের বড় মাঠ থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত চলাচল করে ১৯টি বাস। যার দূরত্ব ১০ কিলোমিটার।

প্রতিদিন সকালে ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত হাসপাতাল মোড়, শহীদ মিনার মোড়, টার্মিনাল, কলেজ মোড় হয়ে ক্যাম্পাসে আসে এসব বাস। যা শিক্ষার্থীর তুলনায় অনেক কম। যে কারণে যাতায়াতে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হয় শিক্ষার্থীদের। 

এমনটিই জানালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তুহিন। তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আধাঘণ্টা পর পর ক্যাম্পাসের উদ্দেশে বাস ছাড়ে। একটি বাসে বায়ান্ন সিট থাকে। এই বায়ান্ন সিটের বাসে ১১০ জন উঠে। নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীর চাপ আরো বেড়েছে। কিন্তু বাড়েনি বাসের সংখ্যা। পাশাপাশি বাসগুলো অনেকে রিকুইজিশন নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছে। যা সত্যিই দুঃখজনক।

 

 

বিজ্ঞান অনুষদের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, বাসে ইদানিং প্রচুর ভিড় হয়। মেয়েদের দাঁড়ানোর জায়গা থাকে না। বাসের উঠার পর বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। অনেক শিক্ষার্থী অর্থাভাবে লোকাল বাস কিংবা অটোতে যাতায়াত করতে পারে না। তাই পবিবহন সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আরো তৎপর হওয়া উচিৎ। পরিবহন পুলে সৈয়দপুর পর্যন্ত নতুন বাস সংযোজন হলে শিক্ষার্থীরা আরো উপকৃত হতো।

 

 

এদিকে বাসচালক জুলফিকার আলি ভুট্টু বলেন, প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের যানবাহন চালাচ্ছি। আর অতিরিক্ত শিক্ষার্থী নিয়ে যাতায়াত করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দ্রুত বিকল হচ্ছে। নতুন শিডিউল করে একঘণ্টা পরপর বাস ছাড়া হলে বাসে চাপ কিছুটা কমবে। 

অন্যদিকে পরিবহন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মফিজউল ইসলাম বলেন, ভিসি প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম যোগদানের পূর্বে ২৪টি যানবাহন ছিলো। বর্তমানে তা ৩৬টি। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আরো চারটি যানবাহন (দুইটি বাস ও দুইটি মাইক্রো) কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আশা করছি নতুন বাস যুক্ত হলে সঙ্কট কমবে। 

ফেনীর হালচাল
ফেনীর হালচাল