ব্রেকিং:
মাওলানা ত্বহার হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইভার অন; বন্ধ মোবাইল ফোন কে এই মাওলানা ত্বহার ২য় স্ত্রী সাবিকুন নাহার? আওয়ামীলীগের ধর্মীয় উন্নয়নকে ব্যাহত করতে ত্বহা ষড়যন্ত্র স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে প্রতারণা ফেনীতে করোনার নমুনা সংগ্রহ করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা ফেনীর বিভিন্নস্থানে মোবাইল কোটের অভিযান : ১৪ জনের দন্ড ফেনীতে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌছে দিয়েছে ছাত্রলীগ করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের ফেনীর ৭ সরকারি কলেজের একদিনের বেতন ত্রাণ তহবিলে ফেনী ধলিয়ায় গ্রাম পুলিশের বাড়িতে হামলা, আহত ২ মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? ফেনীতে বাড়তি দামে পণ্য বেচায় ৭ দোকানের জরিমানা দেশে করোনায় আক্রান্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার, একদিনে মৃত্যু ৫ যুক্তরাষ্ট্রে করোনা জয় করলেন ১ লাখেরও বেশি মানুষ ফেনীতে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফেনী শহরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান ফেনীতে ডাক্তারদের সুরক্ষা ও রোগীদের চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে বিএমএ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ছাড়ালো
  • সোমবার ২৭ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪৩১

  • || ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪৫

ভুল আসামির সাজা খাটার বিষয় খতিয়ে দেখার নির্দেশ

ফেনীর হালচাল

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার মূল আসামির পরিবর্তে আরেকজন সাজা খাটছেন বলে আসামিপক্ষের আইনজীবীর তোলা দাবি খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিষয়টি অনুসন্ধান করে দুই সপ্তাহের মধ্যে পুলিশ সুপার, বরিশালের এসবি’র পুলিশ সুপার, লিগ্যাল অ্যান্ড প্রসিকিউশন শাখা এবং দুদককে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আগামী ৫ মার্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আসামির জামিন শুনানিকালে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম আবদুর রউফ।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভুয়া ও জাল নথি দিয়ে ব্যাংক গ্যারান্টার করে ইউসিবিএল ব্যাংকের বংশাল শাখা থেকে ২ কোটি ৬৮ লাখ ৭৪ হাজার ২৭৫ টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ পায় দুদক। এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল ওয়াহিদ ২০০৮ সালের ১১ আগস্ট শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ৭ জনকে আসামি করা হয়। সেখানে মো. জুয়েল রানা নামের একজনকে করা হয় ৫ নম্বর আসামি। পরে দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল হোসেন তদন্ত করে ২০০৯ সালের ১ এপ্রিল অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর ৫ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন। এতে মো. জুয়েল রানারও সাজা হয়। সে বিচার চলার সময় অনুপস্থিত ছিল। তবে ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই মামলায় জামিন চেয়ে জুয়েল রানার পক্ষে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয়। 

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, সাজা মো. জুয়েল রানা খাটছে না, তার পরিবর্তে মো. আবদুল কাদের নামের আরেকজন জেলে আছেন। তবে মো. জুয়েল রানা ও মো. আবদুল কাদেরের বাবার নাম ও ঠিকানা একই। বাবার নাম মৃত আয়নাল ঢালী, ঠিকানা বরিশালের বাবুগঞ্জের ছাতিয়া গ্রাম।

ফেনীর হালচাল
ফেনীর হালচাল